✨ বাংলার ঐতিহ্যবাহী উৎসব ও পার্বণ

জগদ্ধাত্রী পূজা ২০২৬কার্তিকের শুক্লা নবমী, জগৎ ধরে রাখা দেবীর পূজা

📅

জগদ্ধাত্রী পূজা ২০২৬: তারিখ ও তিথি সময়সূচী

পূজার দিন (নবমী)বুধবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৬আর ১৯ দিন

শাস্ত্রমতে পূজা কার্তিক মাসের শুক্লা নবমীতে। পূজার সময় জুড়ে যেদিন নবমী থাকে, সেদিনই।

পশ্চিমবঙ্গ জেলা ভিত্তিক ছুটিবুধবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৬

এই দিন আঞ্চলিক সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয় মূলত হুগলী আর নদীয়া জেলায়। অর্থাৎ চন্দননগর আর কৃষ্ণনগরে।

জগদ্ধাত্রী পূজা ২০২৬ তিথি সময়সূচী · ভারতীয় সময়
তিথি / লগ্নশুরুশেষ
সপ্তমীচার দিনের পূজার সূচনারাত ২:০১১৬ নভেম্বর, সোমবারভোর ৪:২০১৭ নভেম্বর, মঙ্গলবার
অষ্টমীশুক্লা অষ্টমী তিথিভোর ৪:২০১৭ নভেম্বর, মঙ্গলবারসকাল ৬:০৫১৮ নভেম্বর, বুধবার
নবমীজগদ্ধাত্রী পূজা · ১৮ নভেম্বর, ২০২৬সকাল ৬:০৫১৮ নভেম্বর, বুধবারসকাল ৭:০৬১৯ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার
দশমীবিসর্জনসকাল ৭:০৬১৯ নভেম্বর, বৃহস্পতিবারসকাল ৭:১৬২০ নভেম্বর, শুক্রবার

সুইস এফিমেরিস ও লাহিড়ী অয়নাংশ অনুযায়ী গণনা। তিথির শুরু ও শেষ একটি নির্দিষ্ট মুহূর্ত, তাই চন্দননগর, কৃষ্ণনগর ও কলকাতায় একই সময়। গণনা পদ্ধতি।

জগদ্ধাত্রী পূজার ঐতিহ্য ও বিধি

চন্দননগরে দশমীর রাত। পুরনো ফরাসি শহরের রাস্তা দিয়ে ধীরে ধীরে এগোচ্ছে একটা লরি, তাতে বাড়ির ছাদ ছাড়ানো প্রতিমা। পিছনে আলোর দেওয়াল। হাজার হাজার টুনি বাল্বে ময়ূর পেখম মেলছে, রকেট উড়ছে, নদী থেকে মাছ লাফাচ্ছে। ফুটপাথের ভিড়ে চার দিন কেউ ঠিক করে ঘুমোয়নি।

দুর্গাপুজোর ঠিক এক মাস পরে বাংলা আবার পুজোয় মাতে। কলকাতায় খানিক চুপচাপ, আর দুটো শহরে সবচেয়ে জোরে: চন্দননগর আর কৃষ্ণনগর।

জগদ্ধাত্রী কে?

নামের মানে, যিনি জগৎকে ধারণ করে আছেন। জগৎ আর ধাত্রী, দুই শব্দ মিলে জগদ্ধাত্রী। তিনি দুর্গারই এক রূপ। পুজো হয় কার্তিকের শুক্লা নবমীতে, দুর্গাপুজোর মহানবমীর ঠিক এক চান্দ্রমাস পরে।

দুর্গার থেকে আলাদা করে চেনা সহজ। জগদ্ধাত্রী শান্ত হয়ে বসে থাকেন সিংহের পিঠে, আর সিংহ দাঁড়িয়ে থাকে একটা হাতির উপরে। দশ হাত নয়, চার হাত। তাতে শঙ্খ, চক্র, ধনুক আর বাণ। গলায় পৈতের মতো জড়ানো সাপ, গায়ের রং ভোরের সূর্যের মতো, পরনে সাধারণত লাল শাড়ি।

দুর্গাকে দেখানো হয় মহিষাসুরের সঙ্গে যুদ্ধের মাঝখানে। জগদ্ধাত্রীকে দেখানো হয় যুদ্ধের পরে: স্থির, ধীর, সবকিছু ধরে রেখেছেন।

জগদ্ধাত্রীর কাহিনি

বাংলার পরম্পরা জগদ্ধাত্রীকে মেলায় কেনোপনিষদের একটি গল্পের সঙ্গে। উমা নামটা যেসব পুরনো গ্রন্থে প্রথম পাওয়া যায়, কেনোপনিষদ তার একটি।

অসুরদের হারিয়ে দেবতারা তখন খুব খুশি, ভাবছেন জয়টা তাঁদেরই। হঠাৎ সামনে এক অচেনা যক্ষ। কে ইনি, জানতে গেলেন অগ্নি। যক্ষ একটা ঘাসের ডগা রেখে বললেন, পোড়াও তো। অগ্নি পারলেন না। বায়ু সেটাকে নড়াতেও পারলেন না। ইন্দ্র এগোতেই যক্ষ মিলিয়ে গেলেন, আর সেখানে দেখা দিলেন উমা হৈমবতী। তিনি জানালেন, জয়টা আসলে দেবতাদের ছিলই না।

বাংলায় সেই উমাকেই জগদ্ধাত্রী বলে ধরা হয়। দেবতারা কৃতিত্ব নেন, আর জগৎকে আসলে ধরে রাখেন তিনি।

রাজবাড়ির উঠোন থেকে চার দিনের উৎসব

১৭৬২ (প্রচলিত মতে)
নদিয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্র কৃষ্ণনগর রাজবাড়িতে জগদ্ধাত্রী পুজো শুরু করেন। সেই পুজো আজও হয়। সাধারণত ১৭৬২ সালটাই বলা হয়।
জেলের গল্প
চালু গল্পটা এরকম। খাজনা বাকির জন্য নবাব আলিবর্দি খাঁ কৃষ্ণচন্দ্রকে আটকে রেখেছিলেন, ছাড়লেন বিজয়া দশমীতে। দুর্গাপুজো আর হল না। তখন দেবী স্বপ্নে এসে বললেন, এক মাস পরে আমার পুজো করো। গল্পটা সবার মুখে মুখে, কিন্তু আলিবর্দি মারা যান ১৭৫৬ সালে, প্রচলিত তারিখের ছ’বছর আগে। কোনও কোনও সংস্করণে তাই পরের এক নবাবের নাম আসে। একে লোককথা বলেই ধরুন।
চন্দননগর
স্থানীয় কথা অনুযায়ী, চন্দননগরের প্রথম বারোয়ারি জগদ্ধাত্রী পুজো হয় লক্ষ্মীগঞ্জ বাজারের চাউলপট্টিতে। করেছিলেন কৃষ্ণনগরের ব্যবসায়ীরা, পুজোয় যাঁরা বাড়ি ফিরতে পারেননি।
১৮৭০-এর দশক
রামকৃষ্ণের স্ত্রী সারদা দেবী জয়রামবাটিতে নিজের বাপের বাড়িতে জগদ্ধাত্রী পুজো শুরু করেন। সে পুজো আজও হয়। রামকৃষ্ণ মিশনও নিজের নানা কেন্দ্রে পুজো করে, বেলুড়ের সারদাপীঠ তার একটি।
ফরাসি শহর
চন্দননগরের হাতবদল হয়েছে একাধিকবার। ১৭৫৭ সালের মার্চে, পলাশির তিন মাস আগে, ক্লাইভ শহরটা দখল করেন। পরে তা ফেরত যায় ফরাসিদের হাতে। বাকি বাংলা যখন ইংরেজের, চন্দননগর তখনও ফরাসি। ভারতের হাতে আসে ১৯৫০ সালে। স্থানীয় কথা অনুযায়ী, শোভাযাত্রা আজও চলে ফরাসিদের বানানো শহর-ঘেরা রাস্তা ধরে।

কৃষ্ণচন্দ্র, চন্দননগরের আলো আর পুজোর নিয়ম নিয়ে আরও পড়ুন: ইতিহাস, চন্দননগরের আলো ও নিয়ম।

পুজো এক দিনের, না চার দিনের?

দুটোই, কোথায় আছেন তার উপর নির্ভর করে। পুরনো রীতি, যার জন্য কৃষ্ণনগর রাজবাড়ির নাম, পুরো পুজোটা নবমীর দিনেই সারা। সপ্তমী, অষ্টমী আর নবমীর পুজো পরপর, একই দিনে।

চন্দননগর পুজো করে দুর্গাপুজোর মতো, চার দিন ধরে। সপ্তমীতে গঙ্গা থেকে ঘট আসে, প্যান্ডেল খোলে। মূল পুজো নবমীতে, আর দশমীর রাতে শোভাযাত্রা। চারটে তিথির সময়ই উপরের সারণিতে আছে।

দিন নিয়ে পঞ্জিকাও সবসময় একমত নয়। ২০২৬ সালে নবমী শুরু ১৮ নভেম্বর, সূর্যোদয়ের কয়েক মিনিট পরে। ১৯ নভেম্বরের সূর্যোদয়েও নবমী চলছে। চন্দননগরের পুজো আর বেশিরভাগ পঞ্জিকা ধরছে ১৮ তারিখ। বেলুড় মঠ সূর্যোদয়ের তিথি ধরে পুজো করছে ১৯ তারিখে।

চন্দননগরের আলো

চন্দননগরের প্যান্ডেল বড়, কিন্তু শহরের নাম আলোর জন্য। স্থানীয় কারখানায় হাজার হাজার ছোট বাল্ব দিয়ে তৈরি হয় বিশাল প্যানেল আর তোরণ। পরপর জ্বলে-নেভে বলে ছবি নড়ে। পাখি ওড়ে, ব্রিজ দিয়ে ট্রেন যায়, ক্রিকেটার ছক্কা মারে। সে বছরের খবর হয়ে যায় কার্টুন।

এটা নিজেই একটা পেশা। শ্রীধর দাস এই শিল্পের সবচেয়ে পরিচিত নামগুলির একটি। চন্দননগরের আলোর দল এখন দেশে-বিদেশে নানা উৎসব সাজায়।

সব এক জায়গায় আসে দশমীর শোভাযাত্রায়। সন্ধে থেকে মাঝরাত পেরিয়ে প্রতিমা আর আলো ঘোরে গোটা শহর। স্থানীয়রা বলেন, রিওর কার্নিভালের পরে এটাই পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম শোভাযাত্রা। সত্যি কিনা কে জানে, তবে বাংলার সবচেয়ে ঝলমলে রাত এটাই।

কোথায় যাবেন

চন্দননগর
চার দিনের প্যান্ডেল আর দশমীর আলোর শোভাযাত্রা। চন্দননগর স্টেশন হাওড়া–বর্ধমান মেন লাইনে। ঠাকুর দেখতে হবে হেঁটে, তাই জুতোটা ভাল পরে যাবেন।
ভদ্রেশ্বর
একই লাইনে চন্দননগরের পাশের শহর। বড় বড় পুজো, ভিড় তুলনায় কম।
কৃষ্ণনগর
রাজবাড়ির পুজো আর শহরের পাড়ার পুজো, যার মধ্যে চাষাপাড়ার "বুড়িমা" সবচেয়ে বিখ্যাত। শেষ দিন প্রতিমা রাজবাড়ির সামনে দিয়ে নিয়ে গিয়ে জলঙ্গিতে বিসর্জন হয়। শিয়ালদা থেকে ট্রেন।
রিষড়া, গুপ্তিপাড়া, সিঙ্গুর
হুগলির এই শহরগুলিতে বহু পুরনো জগদ্ধাত্রী পুজো। চন্দননগর যাওয়ার পথে ঘুরে নেওয়া যায়।
বেলুড় আর জয়রামবাটি
নিরিবিলি, পুরনো ধাঁচের পুজো দেখতে চাইলে বেলুড়ের সারদাপীঠ, বা জয়রামবাটিতে সারদা দেবীর নিজের পুজো।

কালীপুজোর প্রায় দু'সপ্তাহ পরেই জগদ্ধাত্রী পুজো, তাই দুটো বেড়ানো একসঙ্গে ছকে ফেলা যায়।

জগদ্ধাত্রী পুজোর শুভেচ্ছাবার্তা

  • যিনি জগৎ ধরে রেখেছেন, তিনি এ বছর তোমার সংসারটাও শক্ত করে ধরে রাখুন। শুভ জগদ্ধাত্রী পূজা!
  • দুর্গা এসে চলে গেলেন, জগদ্ধাত্রী থাকেন সব সামলে রাখতে। শান্তিতে আর আনন্দে কাটুক পুজো।
  • দশমীর রাতে চন্দননগরে দেখা হবে, আরামের জুতো পরে এসো। শুভ জগদ্ধাত্রী পূজা!
  • মায়ের সিংহ সব দুশ্চিন্তার হাতিকে পায়ের নীচে চেপে রাখুক। শুভ জগদ্ধাত্রী পূজা।

তথ্যসূত্র

  • কেনোপনিষদ, তৃতীয় ও চতুর্থ খণ্ড: যক্ষ, ঘাসের ডগা আর উমা হৈমবতী।
  • Rachel Fell McDermott, Revelry, Rivalry, and Longing for the Goddesses of Bengal (Columbia University Press, ২০১১): জগদ্ধাত্রী পুজো, কৃষ্ণনগর আর চন্দননগর।
  • কৃষ্ণনগর রাজবাড়ির পুজো ও ১৭৬২ সাল, চাষাপাড়ার বুড়িমা, জলঙ্গিতে বিসর্জন: স্থানীয় বিবরণ ও সংবাদমাধ্যম, “Jagadhatri Puja in Krishnagar: Tradition and Passion” (journal.nvc.ac.in) প্রবন্ধে সংকলিত।
  • আলিবর্দি খাঁ, বাংলার নবাব ১৭৪০–১৭৫৬।
  • চাউলপট্টি ও চন্দননগরের প্রথম বারোয়ারি পুজো, ফরাসি আমলের শোভাযাত্রার পথ, চন্দননগরের আলোকশিল্পীরা: “Jagadhatri Puja in Chandernagore” (thespace.ink) ও The Statesman।
  • জয়রামবাটিতে সারদা দেবীর পুজো: রামকৃষ্ণ সংঘের প্রকাশিত জীবনপঞ্জি (শুরু নভেম্বর ১৮৭৫)।
  • ১৭৫৭ সালের মার্চে ক্লাইভের চন্দননগর দখল, পরে ফ্রান্সকে ফেরত, আর ১৯৫০ সালে ভারতে হস্তান্তর।

সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

২০২৬ সালে জগদ্ধাত্রী পূজা কবে?

২০২৬ সালের জগদ্ধাত্রী পূজা ১৮ নভেম্বর, ২০২৬, বুধবার। শুক্লা নবমী তিথি শুরু ১৮ নভেম্বর, ২০২৬, বুধবার সকাল ৬:০৫ মিনিটে, শেষ ১৯ নভেম্বর, ২০২৬, বৃহস্পতিবার সকাল ৭:০৬ মিনিটে।

২০২৬ সালে চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পূজা কবে থেকে কবে?

শাস্ত্রীয় পূজা একদিনের, নবমী তিথিতে। তবে চন্দননগরের অনেক বারোয়ারি পূজায় দুর্গাপূজার মতো চার দিন ধরে উৎসব চলে। সপ্তমী তিথি শুরু ১৬ নভেম্বর, ২০২৬, সোমবার রাত ২:০১ মিনিটে, দশমী তিথি শেষ ২০ নভেম্বর, ২০২৬, শুক্রবার সকাল ৭:১৬ মিনিটে। প্রতিটি মণ্ডপ এর মধ্যেই নিজস্ব সূচী ঠিক করে।

দুর্গাপূজার এক মাস পরে জগদ্ধাত্রী পূজা কেন?

জগদ্ধাত্রী পূজা হয় কার্তিক মাসের শুক্লা নবমীতে — আশ্বিনের পরের চান্দ্র মাসের নবমী। দেবী জগদ্ধাত্রী জগৎকে ধারণ করে রাখা দুর্গারই রূপ, তাই মহানবমীর তিথিতেই, এক চান্দ্র মাস পরে, তাঁর পূজা।

২০২৬ সালের জগদ্ধাত্রী পুজোর আর কত দিন বাকি?

কলকাতার আজকের তারিখ থেকে নবমী আর ১৯ দিন, ১৮ নভেম্বর, ২০২৬, বুধবার। চন্দননগরের চার দিনের পুজো শুরু তার দু'দিন আগে, সপ্তমীতে।

জগদ্ধাত্রী পুজো কত দিনের?

পুজো আসলে এক দিনের, কার্তিকের শুক্লা নবমীতে। কৃষ্ণনগর রাজবাড়ির পুরনো রীতিতে পুরোটাই হয় সেদিন। চন্দননগর আর বেশিরভাগ বারোয়ারি পুজো চলে চার দিন, সপ্তমী থেকে দশমী, দুর্গাপুজোর মতো। দশমীর রাতে আলোর শোভাযাত্রা।

জগদ্ধাত্রী পুজো দেখতে কোথায় যাব?

আলো আর দশমীর শোভাযাত্রার জন্য চন্দননগর। সবচেয়ে পুরনো রাজবাড়ির পুজো আর চাষাপাড়ার বুড়িমার মতো পাড়ার পুজোর জন্য কৃষ্ণনগর। কাছেই ভদ্রেশ্বর, রিষড়া আর গুপ্তিপাড়া, ভিড় সেখানে কম।

জগদ্ধাত্রী পুজোর দিন নিয়ে পঞ্জিকায় অমিল কেন?

কারণ নবমী দুটো সূর্যোদয় ছুঁয়ে যেতে পারে। ২০২৬ সালে নবমী শুরু ১৮ নভেম্বর, সূর্যোদয়ের কয়েক মিনিট পরে। ১৯ নভেম্বরের সূর্যোদয়েও তা চলছে। চন্দননগরের পুজো আর বেশিরভাগ পঞ্জিকা ধরছে ১৮ তারিখ। বেলুড় মঠ সূর্যোদয়ের তিথি মেনে পুজো করছে ১৯ তারিখে।

জগদ্ধাত্রী কি দুর্গারই রূপ?

হ্যাঁ। জগৎকে যিনি ধরে রাখেন, দুর্গার সেই রূপে তাঁর পুজো। দিনটা দুর্গাপুজোর মহানবমীর ঠিক এক চান্দ্রমাস পরের নবমী। দশ হাতের বদলে চার হাত, আর বাহন সিংহ দাঁড়িয়ে থাকে হাতির উপর।

জগদ্ধাত্রীর চার হাতে কী থাকে?

শঙ্খ, চক্র, ধনুক আর বাণ, চার হাতে একটি করে। গলায় পৈতের মতো জড়ানো থাকে সাপ।