✨ বাংলার ঐতিহ্যবাহী উৎসব ও পার্বণ

কালী পূজা ও দীপাবলি ২০২৬কার্তিক অমাবস্যার রাত, প্রদীপ আর শ্যামাপূজা

📅

কালী পূজা ২০২৬: তারিখ ও তিথি সময়সূচী

পূজার রাতরবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬আর ১৮ দিন

শাস্ত্রমতে কালী পূজা সেই রাতে, যে রাতের নিশীথ কালে (মধ্যরাতে) অমাবস্যা থাকে। এ বছর সেটা এই রাত।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারি ছুটিরবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার কালী পূজা ও দীপাবলি উপলক্ষে সাধারণ সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে।

কালী পূজা ২০২৬ সময়সূচী · কলকাতা (ভারতীয় সময়)
তিথি / লগ্নশুরুশেষ
ভূত চতুর্দশীকৃষ্ণা চতুর্দশী তিথিসকাল ১০:৪৮৭ নভেম্বর, শনিবারসকাল ১১:২৮৮ নভেম্বর, রবিবার
অমাবস্যাকালী পূজা ও দীপাবলিসকাল ১১:২৮৮ নভেম্বর, রবিবারদুপুর ১২:৩২৯ নভেম্বর, সোমবার
নিশীথ কালকালী পূজার মুহূর্ত, ৮ নভেম্বর, ২০২৬-এর রাতরাত ১০:৫৪৮ নভেম্বর, রবিবাররাত ১১:৪৬৮ নভেম্বর, রবিবার
ভাইফোঁটাশুক্লা দ্বিতীয়া · ১১ নভেম্বর, ২০২৬দুপুর ২:০০১০ নভেম্বর, মঙ্গলবারদুপুর ৩:৫৩১১ নভেম্বর, বুধবার

সুইস এফিমেরিস ও লাহিড়ী অয়নাংশ অনুযায়ী কলকাতার জন্য গণনা। তিথির শুরু ও শেষ একটি নির্দিষ্ট মুহূর্ত, তাই সারা ভারতে একই; নিশীথ কাল স্থানীয় সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের উপর নির্ভর করে, তাই পশ্চিমবঙ্গের অন্যত্র কয়েক মিনিট এদিক-ওদিক হয়। গণনা পদ্ধতি।

কালীপুজোর আচার-বিচার

কার্তিকের অমাবস্যা, রাত এগারোটা। আকাশে চাঁদের ছিটেফোঁটাও নেই। গলির প্রতিটি পাঁচিলে সার দিয়ে মাটির প্রদীপ। কোনও একটা নিভে গেল কিনা, ঠাকুমা দেখে যাচ্ছেন বারবার। মোড়ের প্যান্ডেলে পুরুতমশাই ঝুড়ি ভরে জবা সাজাচ্ছেন।

ভারতের বাকি জায়গায় আজ দীপাবলি, আজকের রাত লক্ষ্মীর। বাংলায় এই রাত কালীর।

দীপাবলির রাত বাংলায় কালীর কেন

ভারতের বেশিরভাগ জায়গায় কার্তিক অমাবস্যা লক্ষ্মীর রাত। দীপাবলির লক্ষ্মী-গণেশ পুজো হয় সন্ধ্যায়, প্রদোষে। বাংলার বড় লক্ষ্মীপুজো কিন্তু পনেরো দিন আগেই হয়ে গেছে, কোজাগরী পূর্ণিমায়। তাই অমাবস্যার এই রাতটা বাংলা রেখে দেয় কালীর জন্য, পুজো হয় নিশীথে, মাঝরাতের মুহূর্তে।

প্রদীপ কিন্তু একই। বাংলাতেও পাঁচিলে, জানলার কার্নিশে, পুকুরের ঘাটে প্রদীপ জ্বলে। বদলায় শুধু কার জন্য জ্বলছে আর কোন প্রহরে। এই পুজোর আর এক নাম তাই শ্যামাপূজা, শ্যামা মানে কালো মেয়ে।

দুই দেবীকে সব জায়গায় আলাদা করেও রাখা হয় না। কালীঘাটে এই রাতে কালীর পুজো হয় লক্ষ্মীরূপে।

কালীর জন্মকথা

কালীর সবচেয়ে চেনা জন্মকাহিনি আছে দেবীমাহাত্ম্যে। মার্কণ্ডেয় পুরাণের এই সাতশো শ্লোকই আমরা দুর্গাপুজোয় চণ্ডীপাঠ হিসেবে শুনি।

সপ্তম অধ্যায়ে দুই অসুর সেনাপতি চণ্ড আর মুণ্ড দেবী অম্বিকাকে আক্রমণ করে। রাগে দেবীর মুখ কালো হয়ে যায়, আর তাঁর ভ্রূকুটি থেকে বেরিয়ে আসেন কালী। শীর্ণ, কৃষ্ণবর্ণ, গলায় নরমুণ্ডের মালা, পরনে বাঘছাল, মুখ হাঁ করা। দুই সেনাপতিকে মেরে তিনি তাদের মাথা নিয়ে ফেরেন। অম্বিকা তাঁর নাম দেন চামুণ্ডা।

অষ্টম অধ্যায়ে আসে রক্তবীজ। তার এক ফোঁটা রক্ত মাটিতে পড়লেই আরেকটা রক্তবীজ জন্মায়। যত আঘাত, রণক্ষেত্রে তত অসুর। কালী জিভ মেলে দেন গোটা রণক্ষেত্রে, রক্ত মাটি ছোঁয়ার আগেই পান করে নেন। তারপর অম্বিকা তাকে বধ করেন।

কালীপুজো যেভাবে পাড়ায় এল

বাংলায় কালীর আরাধনা বহুকাল ছিল তন্ত্রসাধক আর মন্দিরের বিষয়। পাড়ায় পাড়ায় প্রতিমা এনে কালীপুজো, এই চেহারাটা অনেক নতুন।

১৬ শতক (প্রচলিত কথা)
নবদ্বীপের তন্ত্রসাধক কৃষ্ণানন্দ আগমবাগীশ দক্ষিণাকালীর যে মূর্তি গড়েছিলেন, ঘরে ঘরে আজও সেই রূপের পুজো হয়, এমনটাই প্রচলিত। নবদ্বীপে গল্পটা আজও শোনা যায়, তবে এর পিছনে নথি নেই, আছে পরম্পরা।
১৮ শতক
নদিয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্র কালীপুজোর পৃষ্ঠপোষক ছিলেন, তাঁর হাতেই পুজো ছড়ায়। তাঁর রাজসভা থেকেই জমি পেয়েছিলেন রামপ্রসাদ সেন, যাঁর শ্যামাসংগীত আজও বাংলার মুখে মুখে।
১৮৫৫
১৮৫৫ সালের ৩১ মে, স্নানযাত্রার দিন, রানি রাসমণি দক্ষিণেশ্বরে ভবতারিণীর মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। সেখানকার পুরোহিত রামকৃষ্ণ হয়ে ওঠেন আধুনিক বাংলার সবচেয়ে পরিচিত কালীসাধক।
১৯ শতক
কলকাতার ধনী জমিদার পরিবারগুলি দুর্গাপুজোর মতোই ধুমধাম করে কালীপুজো করতে শুরু করে।
আজ
কলকাতার আশপাশের শহরে বারোয়ারি কালীপুজোর ভিড়, সবচেয়ে নামডাক বারাসত আর নৈহাটির। বেশিরভাগ প্যান্ডেলে প্রতিমা আজও দক্ষিণাকালীর।

কালীর নানা রূপ

কালীপুজো কত রকমের, এই প্রশ্নটা খুব শোনা যায়। বাংলায় যে রূপগুলির পুজো সবচেয়ে বেশি হয়:

দক্ষিণাকালী
বরদাত্রী, শান্ত রূপ। প্রায় সব বাড়ি আর প্যান্ডেলে এঁরই পুজো। চার হাত, দুই হাতে খাঁড়া আর নরমুণ্ড, বাকি দুই হাতে বরাভয়, পায়ের নীচে শিব।
শ্যামাকালী
কালো মেয়ে, শ্যামা। কার্তিক অমাবস্যার পুজোর আর এক নাম তাই শ্যামাপূজা।
শ্মশানকালী
শ্মশানের কালী। প্রথা অনুযায়ী এঁর পুজো শ্মশানেই হয়, গৃহস্থের ঘরে নয়।
রক্ষাকালী
রক্ষা করেন যিনি। মহামারী, খরা বা বিপদ এলে গোটা গ্রাম মিলে এঁর পুজো করে।
ফলহারিণী কালী
জ্যৈষ্ঠ অমাবস্যায় পুজো। এমনই এক ফলহারিণী রাতে রামকৃষ্ণ সারদা দেবীকে দেবীজ্ঞানে পুজো করেছিলেন, দক্ষিণেশ্বরে। রামকৃষ্ণ মঠ আজও দিনটি পালন করে।
রটন্তী কালী
মাঘ মাসের কৃষ্ণা চতুর্দশীতে পুজো, জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারিতে।

কলকাতা আর আশপাশে কোথায় যাবেন

দক্ষিণেশ্বর
গঙ্গার ধারে রানি রাসমণির ভবতারিণী মন্দির। কালীপুজোর রাতে লাইন চলে সারা রাত। দক্ষিণেশ্বর মেট্রো স্টেশন থেকে হাঁটা পথ।
কালীঘাট
এখনকার মন্দিরটি ১৮০৯ সালে সম্পূর্ণ করে সাবর্ণ রায়চৌধুরী পরিবার। প্রচলিত বিশ্বাসে এটি একান্ন সতীপীঠের একটি, এখানে সতীর ডান পায়ের আঙুল পড়েছিল। কাছের স্টেশন কালীঘাট মেট্রো।
বারাসত
কলকাতার আশপাশে সবচেয়ে বেশি ভিড় আর সবচেয়ে জমকালো থিমের প্যান্ডেল এখানেই। শিয়ালদা থেকে বনগাঁ বা হাসনাবাদ লাইনের ট্রেন।
নৈহাটি
এখানকার "বড়মা" রাজ্যের সবচেয়ে পরিচিত কালীপ্রতিমাগুলির একটি। দর্শনের লাইন চলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। নৈহাটি শিয়ালদা মেন লাইনে।

চন্দননগরের বিখ্যাত আলো কিন্তু অন্য পুজোর, জগদ্ধাত্রী পূজার। সেটা আসে কালীপুজোর প্রায় দু'সপ্তাহ পরে।

পুজোর রাত, প্রহর ধরে

আগের রাত
ভূত চতুর্দশী: পূর্বপুরুষের জন্য চোদ্দ প্রদীপ, দুপুরের পাতে চোদ্দ শাক।
সন্ধ্যা
পাঁচিলে, জানলার কার্নিশে প্রদীপ আর মোমবাতি, দরজায় আলপনা।
নিশীথ
আসল পুজো শুরু হয় উপরের সারণির নিশীথ কালের কাছাকাছি। কালীর ফুল জবা, মালায় আর পুষ্পাঞ্জলিতে।
ভোগ
ব্রাহ্মণ্য রীতির পুজোয় ভোগ হয় অন্ন, ডাল, ফল আর মিষ্টি, কোনও বলি হয় না। কিছু তান্ত্রিক মন্দিরে আজও পশুবলি হয়। অনেক পুজোয় অবশ্য এখন তার বদলে চালকুমড়ো বা আখ বলি হয়।
বাজি
২০২৫ সালে পশ্চিমবঙ্গ দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ শুধু শংসাপত্র পাওয়া সবুজ বাজির অনুমতি দিয়েছিল। তাও শুধু ওই রাতে, ৮টা থেকে ১০টা। এ বছরের নির্দেশিকা দেখে তবে বাজি কিনবেন।
দু’দিন পরে
ভাইফোঁটা। সময় উপরের সারণিতেই আছে।

কালীপুজোর শুভেচ্ছাবার্তা

  • অমাবস্যার অন্ধকার নিয়ে যাক যা দরকার নেই, প্রদীপের আলো দেখাক যা দরকার। শুভ কালীপূজা!
  • চাঁদ নেই, তবু হাজার প্রদীপ। তোমার আর তোমার পরিবারের শ্যামাপূজা আলোয় ভরে উঠুক।
  • মায়ের জন্য জবা, পূর্বপুরুষের জন্য প্রদীপ, আর বাকিদের জন্য মিষ্টি। শুভ কালীপূজা!
  • রক্তবীজের সেনা যেভাবে কেটেছিলেন, মা তেমনই সব ভয় কেটে দিন। শুভ দীপাবলি।

তথ্যসূত্র

  • দেবীমাহাত্ম্য (মার্কণ্ডেয় পুরাণ), সপ্তম ও অষ্টম অধ্যায়: চণ্ড-মুণ্ড আর রক্তবীজের কাহিনি।
  • Rachel Fell McDermott, Mother of My Heart, Daughter of My Dreams (Oxford, ২০০১): ১৮ শতকের পৃষ্ঠপোষক আর কলকাতার জমিদারদের হাতে কালীপুজোর প্রসার।
  • Rachel Fell McDermott ও Jeffrey J. Kripal (সম্পা.), Encountering Kali (University of California Press, ২০০৩): কৃষ্ণচন্দ্র, আর কালীঘাটে লক্ষ্মীরূপে কালীর পুজো।
  • June McDaniel, Offering Flowers, Feeding Skulls (Oxford, ২০০৪): ব্রাহ্মণ্য আর তান্ত্রিক কালীপুজোর নৈবেদ্য।
  • দক্ষিণেশ্বর কালীমন্দির: প্রতিষ্ঠা ৩১ মে ১৮৫৫ (Incredible India, ভারত সরকার; Britannica)।
  • কালীঘাট মন্দির: এখনকার মন্দির ১৮০৯ সালে সাবর্ণ রায়চৌধুরী পরিবারের হাতে সম্পূর্ণ।
  • কালীপুজো ও দীপাবলি ২০২৫-এর জন্য পশ্চিমবঙ্গ দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের বাজি-নির্দেশিকা, পিটিআই-এর খবর, ১৩ অক্টোবর ২০২৫।

সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

২০২৬ সালে কালী পূজা কবে?

২০২৬ সালের কালী পূজা ৮ নভেম্বর, ২০২৬, রবিবার। অমাবস্যা তিথি শুরু ৮ নভেম্বর, ২০২৬, রবিবার সকাল ১১:২৮ মিনিটে, শেষ ৯ নভেম্বর, ২০২৬, সোমবার দুপুর ১২:৩২ মিনিটে। যে রাতে মধ্যরাত্রি বা নিশীথ কালে অমাবস্যা থাকে, সেই রাতেই কালী পূজা হয় — এ বছর তা ৮ নভেম্বর, ২০২৬-এর রাত।

কলকাতায় ২০২৬ সালের কালী পূজার নিশীথ কাল কখন?

রাত ১০:৫৪ থেকে রাত ১১:৪৬ পর্যন্ত (৮ নভেম্বর, ২০২৬, রবিবার)। রাত্রিকে পনেরোটি মুহূর্তে ভাগ করলে অষ্টম মুহূর্তটি নিশীথ। তার কেন্দ্র কলকাতার সূর্যাস্ত ও পরের সূর্যোদয়ের ঠিক মাঝখানে, ঘড়ির রাত বারোটায় নয়। দিল্লির জন্য প্রকাশিত মুহূর্ত তাই প্রায় আধ ঘণ্টা পিছিয়ে থাকে।

২০২৬ সালের কালীপুজোর আর কত দিন বাকি?

কলকাতার আজকের তারিখ থেকে ধরলে আর ১৮ দিন। ২০২৬ সালের কালীপুজো ৮ নভেম্বর, ২০২৬, রবিবার।

কালী পূজা আর দীপাবলি কি একই দিনে?

সাধারণত হ্যাঁ, কারণ দুটিই কার্তিক অমাবস্যায়। তবে দীপাবলির লক্ষ্মী পূজা হয় প্রদোষে, সূর্যাস্তের পরে, আর কালী পূজা হয় নিশীথে, মধ্যরাতে। যে বছর অমাবস্যা সন্ধ্যার পরে শুরু হয়, সে বছর দুটি আলাদা তারিখে পড়তে পারে।

২০২৬ সালে ভাইফোঁটা কবে?

ভাইফোঁটা ১১ নভেম্বর, ২০২৬, বুধবার — যেদিন সূর্যোদয়ে শুক্লা দ্বিতীয়া থাকে। দ্বিতীয়া তিথি ১০ নভেম্বর, ২০২৬, মঙ্গলবার দুপুর ২:০০ থেকে ১১ নভেম্বর, ২০২৬, বুধবার দুপুর ৩:৫৩ পর্যন্ত; তিথি শেষ হওয়ার আগেই ফোঁটা দেওয়ার নিয়ম।

শ্যামাপূজা কী?

কালীপুজোরই আর এক নাম। শ্যামা, অর্থাৎ কালো মেয়ে, কালীর একটি নাম। ভারতের বাকি জায়গা এই রাতে দীপাবলি করে। আর কার্তিক অমাবস্যার সেই রাতেই বাংলা এই রূপে কালীর পুজো করে।

কালীপুজোয় মাকে কী নিবেদন করা হয়?

সবার আগে জবা, মালায় আর পুষ্পাঞ্জলিতে। ব্রাহ্মণ্য রীতির পুজোয় ভোগ হয় অন্ন, ডাল, ফল আর মিষ্টি, বলি হয় না। কিছু তান্ত্রিক মন্দিরে আজও পশুবলি হয়। অনেক পুজোয় অবশ্য তার বদলে চালকুমড়ো বা আখ বলি হয়।

কালীর জিভ বেরিয়ে থাকে কেন?

চেনা গল্পটা হল, কালীর বিজয়নৃত্য থামাতে শিব পথে শুয়ে পড়েছিলেন। তাঁর বুকে পা পড়তেই লজ্জায় জিভ কাটেন কালী। এটা পরের যুগের লোককথা। পুরনো দেবীমাহাত্ম্যে কালীর হাঁ মুখ আর জিভ রক্তবীজের রক্ত মাটিতে পড়ার আগে পান করার জন্য।

বাংলায় কালীর কতগুলি রূপের পুজো হয়?

অনেক। সবচেয়ে চেনা দক্ষিণাকালী (প্রায় সব বাড়ি আর প্যান্ডেলে), শ্যামাকালী, শ্মশানকালী (শ্মশানে), রক্ষাকালী (মহামারী বা বিপদে), ফলহারিণী কালী (জ্যৈষ্ঠ অমাবস্যায়) আর রটন্তী কালী (মাঘের কৃষ্ণা চতুর্দশীতে)।